Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

Preview বাসার ফ্লোর ঘামছে এটা কেন হচ্ছে কেউ জানেন? সমাধানের উপায় কি?

*ফ্লোর* *গৃহস্থালিটিপস* *ফ্লোরঘামা* *আদ্রতা*
( ২ টি উত্তর আছে )

( ২১,৫৫৫ বার দেখা হয়েছে)

আমানুল্লাহ সরকার  নিজেকে আমি খুঁজে নিতে চাই নিজের মত করে।

মহাগুরু

বাতাসের আদ্রতা বেড়ে যাবার কারণেই মূলত মেঝে ঘেমে যায়। বৃষ্টি ঝরে বাতাসের আদ্রতা কমে গেলে এটি কমতে থাকে। আবার কয়েকদিন টানা বৃষ্টি হলে এমন হয়। বর্ষার দিনে এমন হয়। লবন গলে যায়। গ্রিল, ফ্লোর ভেজা থাকে।

বাতাসে আর্দ্রতার পরিমান অনেক বেশি হলে সে আর্দ্রতা দেয়ালে মেঝেতে বস্তুতে লেগে ঘামের মতো হয়। পানির গ্লাসে বরফ লাগলে যা হয়। এছাড়া অন্য কারন নেই। একেক বস্তুতে একেকগতিতে আর্দ্রতা থেকে বাষ্প জমে।


কারন বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমান বেড়ে যায়। অনেক সময় স্নান করার পর দেখবেন বাথরুমের আয়না ঘোলাটে হয়ে যায়। এটাও জলীয়বাষ্পের জন্যই। পৃথিবী উত্তপ্ত থাকে, আর বৃষ্টি হলে সেই জল টা বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। বাষ্প টাই মেঘ হয়। কিন্তু যখন বেশি বৃষ্টি হয় তখন বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। যা ঠান্ডা কিছুর সংস্পর্শে আসলে পানি হয়ে যায়।

ছোটবেলায় একটা পরীক্ষা ছিলো, একগ্লাস ঠান্ডা পানি টেবিলে রাখো, কিছুক্ষণ পর দেখবা গ্লাসের গায়ে বিন্দু বিন্দু পানি জমছে। এটাই জলীয়বাষ্প। যা বাতাসে থাকে এবং ঠান্ডা কিছুর সংস্পর্শে আসলে পানির রূপ ধারন করে।

এটা  ভয়ের কোন কারণ নয়। অনেকেই বলে এধরনের সমস্যা দেখা দেওয়া ভূমিকম্প বা অন্যান্য দুর্যোগের লক্ষণ। তবে েএর বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই। সো ইজি থাকুন ভাল থাকুন। 

(সংকলিত)

দীপ্তি  আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ :)

মহাগুরু

আসলে বিগত কয়েক দিনতো টানা বৃষ্টি ছিল আর সূর্যেরও দেখা মিলেনি। আর আজ যাই হোক রোদ ছিল দুপুরে আর কিছুটা গরমও আছে। তাই বলা যায়, এর কারন হতে পারে আর্দ্রতা। যার ফলে নিচ থেকে বাষ্প হয়ে মাটি ও ফ্লোর দিয়ে পানি বের হচ্ছে। বৃষ্টি ঝরে বাতাসের আদ্রতা কমে গেলে এটি কমতে থাকে। আবার কয়েকদিন টানা বৃষ্টি হলে এমন হয়। কারন বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমান বেড়ে যায়।

অনেক সময় স্নান/গোসল করার পর দেখবেন বাথরুমের আয়না ঘোলাটে হয়ে যায়। এটাও জলীয়বাষ্পের জন্যই। পৃথিবী উত্তপ্ত থাকে, আর বৃষ্টি হলে সেই জল টা বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। বাষ্প টাই মেঘ হয়। কিন্তু যখন বেশি বৃষ্টি হয় তখন বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। যা ঠান্ডা কিছুর সংস্পর্শে আসলে পানি হয়ে যায়। কোনো জায়গায় তাপমাত্রা বেশি হলে সেখানকার বায়ু উত্তপ্ত হয়ে ওপরের দিকে উঠে যায়। যাকে বলে জলীয় বাষ্প।

সাধারণত বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে ভ্যাপসা গরম পড়ে এবং বেশি বেশি ঘাম হয়। এ সময় বায়ুুচাপ কম থাকে। যদি বাংলাদেশের কোনো এলাকায় ভ্যাপসা গরম পড়ে এবং ঘাম হয় তাহলে বুঝতে হবে সে এলাকায় নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিম্নচাপ এলাকায় অন্য কোনো উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে জলীয় বাষ্প মিশ্রিত হয়ে বায়ূ প্রবাহিত হতে থাকে। এক সময় এই বায়ুর জলীয়বাষ্প ঠান্ডায় ঘনীভূত হয় এবং মেঘ বা পানিকণায় পরিণত হয়ে বৃষ্টিপাতের সৃষ্টি করে।

যদিও অনেকে মনে করেন যে, এটা ভয়ানক রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস বা ভূমিকম্পের আভাস। আবার অনেকে মনে করেন যে, এটা পৃথিবী ধ্বংসের অন্যতম লক্ষণ। চৈত্র বৈশাখ মাসে এরকম ভারী বৃষ্টি কখনোই হয় নি, বিগত ৩৫ বছরে এরকম বৃষ্টির রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আসলে বৈশ্বিক জলবায়ুর কারণে সবকিছু পাল্টে যাচ্ছে, তবে মেঝে ঘামাবার ফলে অস্বস্তি লাগলে, এতে খুব একটা ঘাবড়ানোর মতো কিছু নেই। 

এসময় বাসায় দরজা জানালা বন্ধ না করে পর্যাপ্ত আলো বাতাস প্রবেশের ব্যবস্থা করুন।এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই। এমনিতেই এটা ঠিক হয়ে যাবে। 

 


অথবা,