Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

Preview গর্ভাবস্থায় চিকুনগুনিয়া কতটা বিপজ্জনক?

*গর্ভাবস্থা* *চিকুনগুনিয়া* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*
( ৪ টি উত্তর আছে )

( ৬০২ বার দেখা হয়েছে)

****মাধবীলতা****  *এখনো গোধূলির আলোতে খুঁজে ফিরি নিজেকে *

গুরু

চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার কামড়ে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির জ্বর, অস্থিসন্ধির ব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা এবং ফুলে যাওয়া, মাথাব্যথা, শরীরে র‍্যাশ ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। সাধারণত শরীরে ভাইরাস প্রবেশের ২-১২ দিনের মাঝে এসব উপসর্গ প্রকট হয়ে ওঠে। এ বছর ব্যাপক হারে চিকুনগুনিয়া দেখা দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা নারীরাও এর ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন। বাড়ির অন্য সদস্যদের সঙ্গে তাঁরাও চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

গর্ভাবস্থায় চিকুনগুনিয়া ঝুঁকিতে ফেলতে পারে মা ও শিশু দুজনকেই। তাদের সাধারণ উপসর্গগুলো ছাড়াও মুখের ভেতর ঘা, পাতলা পায়খানা, রক্ত জমে যাওয়া ও রক্তচাপ কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। খুব বিরলভাবে হলেও এই ভাইরাসজনিত রোগে মস্তিষ্ক বা এর পর্দার প্রদাহ, স্নায়ুতন্ত্রের রোগ, রক্তক্ষরণ বা অতিরিক্ত বমির মতো প্রাণঘাতী সমস্যা দেখা দিতে পারে। গর্ভের শিশুও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এমনকি গর্ভপাতও হয়ে যেতে পারে। তাই সতর্কতা জরুরি।

গর্ভকালীন সময়ের শেষ দিকে (৩৬ সপ্তাহের পর) কিংবা সন্তান জন্মের সময় চিকুনগুনিয়া হলে শিশুরও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে কোনো অবস্থাতেই বাড়িতে সন্তান প্রসব করানো উচিত নয়। তবে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত মায়ের বুকের দুধ শিশুকে খাওয়ানোতে কোনো বাধা নেই, বুকের দুধের মাধ্যমে চিকুনগুনিয়া ছড়ায় না।

আপনার এলাকায় চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে গর্ভবতী নারী সদস্যের প্রতি বিশেষ মনোযোগী হোন। মশারি ও ত্বকে লাগানোর মশা তাড়ানোর ওষুধ ব্যবহার করুন। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। চিকুনগুনিয়া হলে প্রচুর পানি পান করা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া চাই। প্যারাসিটামল সেবন করা যেতে পারে। অনেক সময় চিকুনগুনিয়ার সঙ্গে ডেঙ্গুকে আলাদা করা কঠিন। তাই রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। ব্যথার স্থানে গরম নয়, বরং ঠান্ডা সেঁক দিন।

উদয়  

মহাগুরু

এ বছর ব্যাপক হারে চিকুনগুনিয়া দেখা দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা নারীরাও এর ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন। চিকুনগুনিয়া গর্ভাবস্থায় হলে সাধারণত একে ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা বলে ধরে নিতে হবে। এসময় জ্বরের জন্য জরায়ু-সংকোচনের ফলে গর্ভপাত বা পেটে বাচ্চা মারা যেতে পারে। তবে গর্ভাবস্থার ২২ সপ্তাহের পূর্বে সাধারণত: এই ভাইরাস গর্ভস্থ শিশুকে আক্রান্ত করে না। তবে ২২ সপ্তাহ গর্ভাবস্থার পর কোন মায়ের রক্তে এই ভাইরাস এর পরিমাণ বেশী হলে ডেলিভারির সময় বাচ্চা আক্রান্ত হতে পারে।

গর্ভকালীন সময়ের শেষ দিকে (৩৬ সপ্তাহের পর) কিংবা সন্তান জন্মের সময় চিকুনগুনিয়া হলে শিশুরও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে কোনো অবস্থাতেই বাড়িতে সন্তান প্রসব করানো উচিত নয়। তবে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত মায়ের বুকের দুধ শিশুকে খাওয়ানোতে কোনো বাধা নেই, বুকের দুধের মাধ্যমে চিকুনগুনিয়া ছড়ায় না।

গর্ভাবস্থায় চিকুনগুনিয়া ঝুঁকিতে ফেলতে পারে মা ও শিশু দুজনকেই। তাদের সাধারণ উপসর্গগুলো ছাড়াও মুখের ভেতর ঘা, পাতলা পায়খানা, রক্ত জমে যাওয়া ও রক্তচাপ কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। খুব বিরলভাবে হলেও এই ভাইরাসজনিত রোগে মস্তিষ্ক বা এর পর্দার প্রদাহ, স্নায়ুতন্ত্রের রোগ, রক্তক্ষরণ বা অতিরিক্ত বমির মতো প্রাণঘাতী সমস্যা দেখা দিতে পারে। গর্ভের শিশুও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এমনকি গর্ভপাতও হয়ে যেতে পারে। তাই সতর্কতা জরুরি।

আপনার এলাকায় চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে গর্ভবতী নারী সদস্যের প্রতি বিশেষ মনোযোগী হোন। মশারি ও ত্বকে লাগানোর মশা তাড়ানোর ওষুধ ব্যবহার করুন। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। চিকুনগুনিয়া হলে প্রচুর পানি পান করা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া চাই। 

চিকিৎসা: এই ভাইরাসের কোন এন্টিভাইরাস ওষুধ বা টিকা নেই। জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল বড়ি (সর্বোচ্চ ১ গ্রাম দিনে ৪ বার) বা সাপোজিটরি ব্যবহার করে বা স্পঞ্জিং করে জ্বর কমিয়ে রাখতে হবে। প্রচুর পানি ও লবনযুক্ত পানি (২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২ লিটার) পান করতে হবে এবং পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ পরিহার করে গরম পরিবেশে থাকতে হবে। অস্থিসন্ধিতে বরফের সেক দেয়া যেতে পারে। অবস্থা জটিল হলে ডাক্তারের পরামর্শ-মত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

www.purebd.com এর প্রোডাক্ট অনেক ভাল একবার খেয়ে দেখতে পারেন 

মিনহাজুল ইসলাম  মায়ের আদরের ছেলে ।

গুরু

গর্ভাবস্থায় চিকুনগুনিয়া ভয়াভয় অবস্তা করতে পারে।ক্যালসিয়াম,আর লেবু এই দুইটা যত পারের খাবেন ।


অথবা,