Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

( ১ টি উত্তর আছে )

( ২১৬ বার দেখা হয়েছে)

মোঃ সোলায়মান মাসুম  খুবই সাধারন ও সৌখিন একজন ৷

গুণী

ডায়াবেটিস মানে রক্তের শর্করার আধিক্য। 

গর্ভাবস্থায়  ডায়বেটিসের ধরনঃ

সাধারণত গর্ভাবস্থায় তিন ধরনের ডায়াবেটিস হয় ৷

1. রোগীর হয়তো আগে থেকেই ডায়াবেটিস আছে এবং সে ইনসুলিননির্ভর। অর্থাৎ তাঁকে ইনসুলিন দিয়েই চিকিৎসা করতে হয়। তাঁর শরীরের পেনক্রিয়েজ হয়তো ইনসুলিন উৎপাদন করে না। পেনক্রিয়েজে উৎপাদিত ইনসুলিন রক্তের শর্করা মেটাবলিজমে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। 

2. এসব রোগী সাধারণত মোটা হয়। এদের হয়তো পেনক্রিয়েজের মাধ্যমে ইনসুলিন তৈরি হয়। কিন্তু রক্তে ইনসুলিনের চাহিদা মেটায় না। অর্থাৎ তাঁদের রক্তে শর্করার আধিক্য থাকে।

3. সাধারণত নারীটির ডায়াবেটিস থাকে না। কিন্তু গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হয়। তাকে বলা হয় জেসটেশনাল ডায়াবেটিস। এটি ডেলিভারি হলে থাকে না। তবে পরবর্তী গর্ভধারণের সময় ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ছাড়া যদি সে খাবার নিয়ন্ত্রণ না করে, জীবন-যাপন পরিবর্তন না করে তাহলে ভবিষ্যতে তাঁর ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

গর্ভাবস্থায় একজন নারী যেভাবে বুঝবেন তিনি ডায়াবেটিস আক্রান্ত:

এদের তেমন কোনো আলাদা লক্ষণ থাকে না। সাধারণত ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলোই থাকে। ক্ষুধা বেড়ে যায়। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা রোগীর ইতিহাস জানেন। এ ছাড়া আগে শিশু জন্মানোর সময় ডায়াবেটিস ছিল কি না সেটি জানা হয়। আগের শিশু চার বা সাড়ে চার কেজির ওপরে ছিল কিনা, আগে যদি স্টিলবার্থ (মৃত শিশু প্রসব) হয়, অথবা তাঁর শরীরের সূচক ত্রিশের ওপরে আছে কি না—এসব তথ্য জানা হয়। এসব ক্ষেত্রে ওজিটিটি পরীক্ষা করানো হয়। শিশু গর্ভে আসার প্রায় ২০ সপ্তাহের মধ্যে এটি করানো হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে পুনরায় করা লাগে। ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহের মধ্যে এই পরীক্ষা করা হয়।

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হলে চিকিৎসকরা যা পরামর্শ দেন:

যদি প্রথম দুই ধরনের ডায়াবেটিস হয়ে থাকে তাহলে সেই ক্ষেত্রে গর্ভধারণপূর্ব আলাপ করে নিতে হবে। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ডায়াবেটিস আগে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং পরে গর্ভধারণ করতে হবে। যদি ডায়াবেটিসের পরিমাণ ৬-এর নিচে হয় তবে বাচ্চা গ্রহণ করতে পারবেন। যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকে তবে শিশু অস্বাভাবিকভাবে জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা থাকে। এতে শিশু ও মা উভয়ের ক্ষতি হবে। শিশু স্বাভাবিকের থেকে একটু বড় হয়ে জন্ম নিতে পারে। জন্মের পর শিশুর শরীরে শর্করার পরিমাণ বেশি হতে পারে। তাই এসব সমস্যা রোধে প্রথম থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে ৷


অথবা,