Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

Preview হেচকি কেন হয়? এটি বন্ধ করার সহজ উপায় কি?

*হেচকি* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস* *হেঁচকি*
( ৬ টি উত্তর আছে )

( ৪৮,০৭৩ বার দেখা হয়েছে)

তাশফীন হাসান  গনপ্রজাতন্ত্রী দেশ, বাংলাদেশর একজন সাধারণ নাগরিক !

মহাগুরু

হেঁচকি কেন হয় তা এখনো খুব স্পষ্ট নয় বিজ্ঞানীদের কাছে। দ্রুত খেতে চেষ্টা করলে, অনেক গরম ও মসলাদার খাবার খেলে, গরম খাবারের সঙ্গে খুব ঠান্ডা পানি বা পানীয় পান করতে শুরু করলে, অনেকক্ষণ ধরে হাসলে বা কাঁদলে হেঁচকি হতে পারে। বড়দের অবিরত হেঁচকি হওয়ার পেছনে কিছু কারণ থাকতে পারে। উদ্বেগ, কিডনির রোগ, শরীরে লবণের ভারসাম্যহীনতা, অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান, ফুসফুসের সংক্রমণ বা নিউমোনিয়ায় হেঁচকি হতে পারে। আবার মস্তিষ্কের কিছু রোগ যেমন টিউমার বা ফোড়া, পেটের কিছু রোগ, যেমন অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ বা হেপাটাইটিস ইত্যাদিও হেঁচকির কারণ হতে পারে। সাধারণ কারণে হেঁচকি হলে তা একটু পর এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। তবে শারীরিক সমস্যা ও রোগে অনেক সময় বিরক্তিকরভাবে বারবার বা অবিরত হেঁচকি হতে পারে। হেঁচকি উঠলে বা বারবার হলে কিছু প্রক্রিয়ায় এটি থামানো যায়। কিছুক্ষণ শ্বাস বন্ধ করে রাখুন। একটি পলিথিন ব্যাগ নিয়ে এর ভেতরে শ্বাস-প্রশ্বাস ছাড়ুন। ঠান্ডা পানি বা বরফকুচি গিললে অথবা শুকনো খাবার চিবোলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের চাপ বেড়ে গিয়ে ডায়াফ্রামকে থামিয়ে দেয়। কটন বাড দিয়ে নাকের ভেতর সুড়সুড়ি দেওয়া বা চোখের ওপর আঙুল দিয়ে চাপ দেওয়া, তীব্র ঝাঁজাল ঘ্রাণ নিয়ে এটি থামানো যায়। অসহনীয় ও অনবরত হতে থাকলে কিছু ওষুধ বা ইনজেকশনের প্রয়োজন হতে পারে।

মো আকছাদুর রহমান  যে এখনও নিজেকে চিনেনা...........

মহাগুরু

আমাদের শরীরের ভ্যাগাস নার্ভ অথবা এঁর কোন একটি শাঁখা প্রশাখা যেগুলা (ব্রেন থেকে অ্যাবডোমেন পর্যন্ত বিস্তৃত ) বাধাপ্রাপ্ত অথবা উদ্দীপ্ত হয়। বিশেষজ্ঞগণ বলেন যে সাধারনত পরিপাকতন্ত্রের গোলমালের কারনে এটি হতে পারে। এটা বাচ্চাদের ও হতে দেখা যায়। এঁর থেকে পরিত্রান পেতে দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে ১-অন্ন কোন অনুভূতির দ্বারা ভ্যাগাস নার্ভ কে উদ্দীপ্ত করা।তখন এই নার্ভ ব্রেন কে অন্য ইম্পরট্যান্ট কাজ করার সিগনাল পাঠাবে তখন ব্রেন থেকে হিক্কা রোধ হবে। ২-অন্য উপায় হচ্ছে রক্তে কার্বনডাইঅক্সাইডের পরিমান বাড়িয়ে ফেলা এটি তখন শরীর হিক্কা উঠা বাদ দিয়ে অতিরিক্ত কার্বনডাইঅক্সাইড কে বের করতে ব্যাস্ত হয়া পরবে। নিচে কিছু পদ্ধতি দেয়া হল হিক্কা রোধ করার – ১> এক চামচ চিনি নিন ও জিহ্বার পিছনে [যেখান দিয়ে টক স্বাদ নেন] রাখুন।এতি নার্ভের উত্তেজনা বাড়াবে । ২>কিছু ডাক্তার বলেন যে হিক্কা উঠলে কানে আঙ্গুল দিয়ে কিছুখন রেখে দিন।এতি ভ্যাগাস নার্ভ কে উদ্দীপ্ত করবে।;কিন্তু সাবধান কানের বেশি গভীরে আঙ্গুল ঢোকাবেন না ৩> হঠাৎ করে অবাক হলে হিক্কা চলে যায় ৪>পানি খেলে হিক্কাচক্র বাধাগ্রস্থ হয়।পানি দিয়া গড়গড়া ও করতে পারেন ৫>জিহ্বা বের করে রাখুন এটি হিক্কা রোধে সাহায্য করবে ৬> কোটন বার্ড দিয়ে মুখের তলায় কাতুকুতু দিতে পারেন। যেকোন ধরনের সুড়সুড়ি হিক্কা রোধে কাজ করে ৭>নাক ধরে মুখ বন্ধ করুন[পুলে ঝাপিয়া পড়ার আগে যেভাবে করেন] যতক্ষণ না হিক্কা চলে না যায় ৮>একটি কাগজের ব্যাগের ভিতর শ্বাসপ্রশ্বাস নিন।দিবেএটি রক্তে কার্বনডাইঅক্সাইডের পরিমান বাড়িয়ে

হাফিজ উল্লাহ  খাচায় আবদ্ধ মন, ঘুরে ফিরে খুঁজে সেই স্বাধীনতার রং

গুরু

হেচকি মাজে মাজে খুব জামেলায় ফেলে দেয় l অনেক সময় খুব অসথিকর মনে হয় বিশেষ করে খাবারের সময় অথবা কোনো অনুষ্ঠানে l কেন হয় ইটা ....... আমাদের শরীরের ভ্যাগাস নার্ভ অথবা এঁর কোন একটি শাঁখা প্রশাখা যেগুলা (ব্রেন থেকে অ্যাবডোমেন পর্যন্ত বিস্তৃত ) বাধাপ্রাপ্ত অথবা উদ্দীপ্ত হয়। বিশেষজ্ঞগণ বলেন যে সাধারনত পরিপাকতন্ত্রের গোলমালের কারনে এটি হতে পারে। এটা বাচ্চাদের ও হতে দেখা যায়। এবার দেখা যাক হেঁচকি কেন হয় - দ্রুত খেতে চেষ্টা করলে, অনেক গরম ও মসলাদার খাবার খেলে, গরম খাবারের সঙ্গে খুব ঠান্ডা পানি বা পানীয় পান করতে শুরু করলে, অনেকক্ষণ ধরে হাসলে বা কাঁদলে হেঁচকি হতে পারে। আমি তো একটু ঝাল খেলেই ভাই সুরু হয়ে যায় ...আর থামাতে পারিনা সহজে .....l সাধারণ কারণে হেঁচকি হলে তা একটু পর এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। তবে শারীরিক সমস্যা ও রোগে অনেক সময় বিরক্তিকরভাবে বারবার বা অবিরত হেঁচকি হতে পারে। বন্ধ করার কিসু উপায় : ১> এক চামচ চিনি নিন ও জিহ্বার পিছনে [যেখান দিয়ে টক স্বাদ নেন] রাখুন।এতি নার্ভের উত্তেজনা বাড়াবে । ২> হঠাৎ করে অবাক হলে হিক্কা চলে যায় ৩>পানি খেলে হিক্কাচক্র বাধাগ্রস্থ হয়।পানি দিয়া গড়গড়া ও করতে পারেন ৪> কোটন বার্ড দিয়ে মুখের তলায় কাতুকুতু দিতে পারেন। যেকোন ধরনের সুড়সুড়ি হিক্কা রোধে কাজ করে ৫>নাক ধরে মুখ বন্ধ করুন[পুলে ঝাপিয়া পড়ার আগে যেভাবে করেন] যতক্ষণ না হিক্কা চলে না যায় ৬>একটি কাগজের ব্যাগের ভিতর শ্বাসপ্রশ্বাস নিন।দিবেএটি রক্তে কার্বনডাইঅক্সাইডের পরিমান বাড়িয়ে ৭ >খুব দ্রুত খাবার খেলে খাবারের ভিতর ভিতর বাতাস ডুকে যায় যেটি নার্ভ কে উত্তেজিত করে।ঠিকভাবে খাবার চাবিয়ে খেলে এবং পরিমিত পানি পান করে হিক্কা এড়াতে পারবেন l তারপর ও যদি কাজ না হয় তবে ম্যাগনেসিয়াম ট্যাবলেট [এন্টাসিড] হিক্কা রোধে কাজ হবে বলে বেশ আশাবাদী l ধন্যবাদ

ইশতিয়াক  

বিশারদ

ডায়াফ্রাম বা মধ্যচ্ছদার হঠাৎ সংকোচন বা স্পাজমের কারণে হেঁচকি হয়। ডায়াফ্রাম পেটের অভ্যন্তরভাগকে পৃথককারী মাংসপেশি বিশেষ, যা আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসে মূল ভূমিকা রাখে। সাধারণ হেঁচকি হঠাৎ শুরু হয়ে বেশ কিছুণ স্থায়ী হতে পারে। তবে দীর্ঘস্থায়ী হিককাপ বা হেঁচকি বেশ কিছু রোগের ইঙ্গিত বহন করে। যে কারণে হয়- বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হেঁচকি নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই হতে পারে। তবে নিচের কারণগুলোর জন্য হেঁচকি বেশি ওঠে।- দ্রুত খাবার গ্রহণ করা - খাবারের সময় কথা বলা - চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খেলে পেট ফুলে ডায়াফ্রামের ওপর চাপ দিলে - লিভার রোগ থাকলে - নিউমোনিয়া বা ফুসফুসের বিভিন্ন রোগ হলে - পেটের যেকোনো অপারেশনের পর - দীর্ঘস্থায়ী কিডনি ফেইলিওর বা বিকল হলে - স্ট্রোক বা ব্রেইন টিউমার হলে - কিছু ওষুধ যেমন অ্যাসিডিটি কমানোর ওষুধ, ডায়াজিপাম গ্রুপের ওষুধ ইত্যাদি গ্রহণের কারণেও হেঁচকি হতে পারে। কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন- বেশির ভাগ ক্ষেত্রে খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনা আপনিই রোগটি ভালো হয়ে যায়। তবে এ সমস্যা তিন ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয়, হেঁচকির কারণে যদি আপনার খাওয়া কিংবা ঘুমানো কষ্টকর হয় তবে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। হেঁচকির পাশাপাশি যদি পেটে ব্যথা, জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও বমি হয় এবং এমন মনে হয় গলা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তবে অবশ্যই দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসা -হেঁচকির জন্য এ্যালেপ্যাথিতে নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। শুধু মাত্র হোমিও প্যাথিতেই এর সঠিক চিকিৎসা করা যায় নিচের টিপসগুলো কাজে লাগাতে পারেন। - দ্রুত এক গাস পানি খেয়ে নিন-- কেউ যদি আপনাকে ভয় দেখাতে বা সারপ্রাইজ দিতে পারে তাতেও কাজ হবে। - জিহ্বা কামড়ে ধরুন - একটু লেবু কামড়ে ধরুন- পানি দিয়ে গার্গিলিং বা গড়গড়া করুন - গাসটাকে দূরে ধরে পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন - জিহ্বার পেছনে আধা চামচ চিনি ঢেলে দিন। দুই মিনিট পর পর এভাবে তিনবার চিনি দিন। এভাবে হেঁচকি থামাতে ব্যর্থ হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

পল্টু মিয়া  স্বপ্ন দেখি, অবাস্তব

গুণী

যার হেঁচকি উঠতাছে তারে আচমকা একটা ঝারি মানে ধামকি দিলে হেচকি বাপ বাপ কইরা পালাইব।

ইউসুফ  বাংলাদেশে 'বাংলাদেশী' থাকতে চাই

মহাগুরু

একজনের পরামর্শ মত আমি একটি বিশেষ উপায়ে উপকার পেয়েছি - বেশ কার্যকর। হেঁচকি উঠলে দাঁড়িয়ে, শরীর বাঁকিয়ে মাথা নিচু করে ফেলুন। অনেকটা নামাজের রুকুর মত। তারপর ঐ অবস্থায় এক গ্লাস পানি খান। দেখবেন ভাল হয়ে গেছে।


অথবা,