Preview
প্রশ্ন করুন
রিলেটেড কিছু বিষয়

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

( ৬ টি উত্তর আছে )

( ১০,৭০৯ বার দেখা হয়েছে)

পূজা  

গুরু

কাঁচা কলা দিয়ে অনেক কিছুই রান্না করা যায় l অনেকেই অনেক উত্তর দিয়েছেন, আমি অন্যরকম একটি রেসিপি দিচ্ছি, কাঁচকলার চিপস l খেয়ে দেখবেন, খুব ভালো লাগবে l কলার চিপস তৈরির নিয়ম ☻প্রথমেই পরিণত ও তাজা কলা সংগ্রহ করতে হবে। ☻কলার বোটা ও শেষ দিক থেকে সামান্য কেটে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। ☻কলার খোসা উপর থেকে নীচের দিকে কেটে দু’দিক থেকে ছাড়িয়ে নিতে হবে। ☻একটা বড় পরিস্কার গামলায় পরিমাণ মতো পানি নিতে হবে। যাতে কলাগুলো ডুবে থাকে। পানিতে পরিমাণ মতো লবণ গুলিয়ে নিতে হবে। কলাগুলো এর মধ্যে ৫ থেকে ১০ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখতে হবে। এর ফলে কলার আঠা বের হয়ে যাবে। ☻কলাগুলো লবণ গোলানো পানি থেকে তুলে অন্য একটা বড় গামলায় রেখে পরিস্কার ধারালো বটি বা ছুরি দিয়ে চাক চাক করে কাটতে হবে। ☻কাটার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন চাকগুলো পরিমাণ মতো পাতলা ও সমান হয়। ☻চুলার উপর কড়াই-এ পরিমাণ মতো সয়াবিন তেল নিয়ে গরম করতে হবে। এমন পরিমাণ তেল নিতে হবে যেন কলার টুকরাগুলো ডুবে থাকে। ☻তেল গরম হলে কলার টুকরাগুলো তেলের মধ্যে ছেড়ে দিতে হবে। গরম তেলে কলার টুকরাগুলো চিকন কাঠি দিয়ে জট ছাড়িয়ে নিতে হবে। তা না হলে একটা কলার টুকরার সাথে অন্যটা লেগে যাবে। ☻কলার টুকরাগুলো অল্প তাপে বাদামী রঙে ভেজে নিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে টুকরাগুলো জালি খুন্তির সাহায্যে তেল ঝরিয়ে তুলে একটা পরিস্কার ও শুকনো ট্রেতে রাখতে হবে। ট্রের উপর একটা পরিস্কার কাগজ রাখা ভাল। তাহলে কাগজ বাড়তি তেল শুষে নিবে। ☻অল্প গরম থাকতেই চিপস এর সাথে পরিমাণ মতো বিট লবণ ও গোল মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে নিতে হবে। এমনিতেই এবং ডাল ভাতের সাথে দারুন জমবে এই কাঁচা কলা চিপস l

মন্টি মনি  আড্ডা দিতে ভালোবাসি, ভালোবাসি প্রিয় মানুষটির হাত ধরে ঘুরতে | আর ভিষণ কষ্ট পাই কেও অবহেলা করলে....

মহাগুরু

কাচা কলা সিদ্ধ করে নিন | তারপর কাচা কলার সাথে পেয়াজ কুচি, ধনিয়া পাতা কুচি, মরিচ কুচি, ডিম, গোল মরিচের গুড়া, স্বাধমত লবন দিয়ে ভালো করে মাখুন | তারপর চপ আকার করে তেলে ভাজুন | গরম গরম পরিবেশন করুন |

মাহনূর তাবাসসুম মীম  তখন আমি অনেক ছোট, মৃত্যু বুঝতাম, যুদ্ধ বুঝতাম না। এখন আমি অনেক বড়, যুদ্ধ বুঝি, মৃত্যু বুঝি না।

মহাগুরু

কাঁচা কলা ভর্তা, চিংড়ি ও কাঁচা কলার টিকিয়া, কাঁচা কলার কোপ্তা, কাঁচা কলার খোসা ভর্তা, কাঁচা কলার চিপস, কাঁচা কলার খোসা ভর্তা, কাঁচা কলার রোল, কাঁচা কলা দিয়ে ডাল, কাঁচা কলার পাকোড়া ইত্যাদি নানা বিধ রান্না করা যায়। এর মধ্যে আমি আমার একটি প্রিয় রেসিপি শেয়ার করছি>> কাঁচকলার রোল কাঁচকলা ২টা আলু ১টা ডিম ২টা পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ মরিচ ১ চা চামচ জিরা ১/৪ চামচ ময়দা পরিমাণমতো বেকিং পাউডার ১ টেবিল চামচ বিস্কুটের গুঁড়ো পরিমাণমতো সাদা তেল পরিমাণমতো (ভাজার জন্য) সস ১ চা চামচ মাংসের কিমা ১ কাপ লবণ পরিমাণমতো প্রণালি মাংসের কিমায় অল্প আদা, রসুন, লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। পেঁয়াজ কুচি দিয়ে গরম মসলা দিয়ে তেলে ভুনা করে নিন। এবার কলা, আলু, বেকিং পাউডার ও ময়দা একসঙ্গে মেখে চপ তৈরি করে চপের ভেতর দিয়ে পছন্দমতো আকার তৈরি করুন। এবার ডিমে চুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়োয় গড়িয়ে আধা ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। আধা ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে ডুবো তেলে বাদামি করে ভাজুন। এরপর সুন্দর করে সাজিয়ে সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন কাঁচা কলার রোল।_____ এটি খেতে যে কেমন মজা বলতে পারব না। আম্মু যখন বানায় আমি তো নিজেই ৪-৫ টা খেয়ে ফেলি। আপনিও ট্রাই করে দেখুন। ভালো লাগবে।

মকসুদা হালিম  জন্ম আমার শ্রাবণ মাসে, পূর্ণিমার রাত-- / ফুলের বাগান গড়ে ওঠে যেদিক বাড়াই হাত !

পন্ডিত

¤¤¤ সুস্বাদু স্বাস্থ্যকর কাঁচাকলার কোফতা ¤¤¤ কাঁচাকলা খেতে যেমনই হোক না কেন এর রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুণ। পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ এবং ফাইবারে ভরপুর কাঁচাকলা দেহের রক্তসল্পতা দূর করে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। কিন্তু সমস্যা হলো কাঁচাকলা খাওয়া। যদিও কাঁচাকলার ভর্তা বেশ জনপ্রিয় কিন্তু সাধারণ রান্নায় কাঁচাকলার ব্যবহার অনেকেই অপছন্দ করে থাকেন। বিশেষ করে বাচ্চাদের তো খাওয়ানোই যায় না। এতে করে অনেকেই বঞ্চিত হন কাঁচাকলার অসাধারণ পুষ্টিগুণ থেকে। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল কাঁচাকলার অসাধারণ পুষ্টিগুণ সুস্বাদু উপায়ে পাওয়ার একটি সহজ রান্না ‘কাঁচাকলার কোফতা’। দারুণ সুস্বাদু কাঁচাকলার কোফতা যে কারো পছন্দ হবে। একইসাথে সাথে স্বাদের পাশাপাশি দেহে পৌঁছাবে কাঁচাকলার পুষ্টি। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক ‘কাঁচাকলার কোফতা’ তৈরির সহজ একটি রেসিপি। উপকরনঃ - ২৫০ গ্রাম কাঁচাকলা - ২০০ গ্রাম আলু - ২০০ গ্রাম টমেটো পিউরি - ৪ টি লবঙ্গ - ১ টি মাঝারি আকারের দারুচিনি - ২/৩ টি এলাচ - ১ চা চামচ জিরা - অর্ধেক চা চামচ হলুদ গুড়ো - সামান্য ধনিয়া গুঁড়ো - ২/৩ টি শুকনা মরিচ - ৩/৪ টি কাঁচা মরিচ - ১ চা চামচ আদা বাটা - ১ টেবিল চামচ তেল - লবন স্বাদমত - ১ কাপ পানি প্রণালীঃ - কাঁচাকলা এবং আলু ভালো করে সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন। - এরপর সেদ্ধ কাঁচাকলা এবং আলু ভালো করে পিষে নিন। এতে লবণ দিয়ে ভালো করে ভর্তা তৈরি করুন যাতে এতে শক্ত অংশ না থাকে। ভর্তাটি খুব নরম করবেন না। নরম হলে বল তৈরি করে ভাঁজতে অসুবিধা হবে। - এরপর ভর্তাটি ১২ টি ছোট ছোট অংশে ভাগ করে বলের মত তৈরি করে নিন। - একটি প্যানে তেল ঢেলে কাঁচাকলা এবং আলুর বলগুলো ডুবো তেলে ভালো করে ভেজে নিন। বেশি নাড়বেন না এতে বলগুলো ভেঙ্গে যেতে পারে। লালচে হলে নামিয়ে নিন। - একটি প্যানে তেল ছাড়া শুকনো করে লবঙ্গ, দারুচিনি, জিরা, শুকনা মরিচ এবং এলাচ ভেজে নামিয়ে নিন। ভাজা মসলাগুলো পিষে নিন। - টমেটো সেদ্ধ করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে টমেটো পিউরি করে নিন। - প্যানে ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে এতে আদা বাটা দিয়ে নেড়ে নিন। হলুদ এবং ধনিয়া গুঁড়ো দিয়ে নেড়ে নিন। এরপর এতে টমেটো পিউরি দিয়ে দিন। - এরপর এতে পিষে নেয়া মশলা অর্ধেকটা দিয়ে নেড়ে নিন ভালো করে। - তারপর ১ কাপ পানি প্যানে ঢেলে ঝোল ফুটতে দিন ৪/৫ মিনিট। - ৪/৫ মিনিট পরে এতে সামান্য আদা কুঁচি, মরিচ কুঁচি , বাকি মশলা দিয়ে ভালো করে নেড়ে দিন

*ছাতা*  আমাকে ব্যবহার করুন

পন্ডিত

কাঁচা কলা দিয়ে শিং, কৈ, মাগুর, চিংড়ি, টেংরা, ফাবদা এসব মাছের মাখা মাখা ঝোল খেতে বেশ চমৎকার-আমারতো জ্বিভে পানি আসছে।

WAMIM HOSSAIN  I AM VERY WISE ,FRIENDLY AND PURE HEARTED PERSON(HANDSOME ALSO!)

গুণী

কাঁচা কলা যতনা আমরা খাই,তারচে বেসি ভাষা হিসেবে ব্যবহার করি


অথবা,