একঘেয়েমি

একঘেয়েমি নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দীর্ঘদিন ধরে কাজ করতে করতে অনেক সমস্যা কাজে এক ঘেয়েমি চলে আসে। স্বাভাবিকভাবেই নিজের থেকে উদ্যোগ নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে ক্রমশ কমতে থাকে।  অফিসে সারাক্ষন যেমন তেমন করে সময় কাটানো কোনো রকমে নিজের কাজ শেষ করাই তখন জরুরি হয়ে দাঁড়ায়। গড়পরতা এই নিয়মের বাইরে গিয়ে একটু কিছু করতে হলেই একরাশ বিরক্তি আর বিরূপ মনোভাব।  কাজের প্রতি এই নেগেটিভ মনোভাব স্বভাবেও প্রভাব ফেলে। সহকর্মীদের সঙ্গে রুক্ষ ব্যবহার ও কাজের দায়িত্ত্ব এড়িয়ে যাবার মানসিকতা বাড়তে থাকে। এর সঙ্গে ক্রমাগত বাড়ি ও অফিসের ব্যালেন্স করা চলার চাপ।  এরকম সিচ্যুয়েশনের মুখোমুখি হয়ে আপনি দিনের পর দিন এভাবে কাটিয়ে যেতে পারেন।  তাতে নেগেটিভ চিন্তাভাবনাকেই প্রশ্রয় দেয়া হবে। 

 

এক ঘেয়েমি কাটিয়ে ওঠার জন্য প্রথমেই গতে বাঁধা অভ্যেসের থেকে 'আমি বেরিয়ে আসবো' এই মানসিকতা তৈরী করুন।  শুরু করুন আপনার ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে।  খাওয়া-দাওয়া, এক্সারসাইজ, এক কথায় নিজের প্রতি ও নিজের চারপাশের প্রতি একটু যত্নশীল হোন। এই উৎসাহটাই তখন আস্তে আস্তে কাজের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। একই কাজ নতুন করে করতে ভালো লাগবে।  কাজের জায়গার মাঝে একটু ব্রেক নিন।  কিছুক্ষন কাজ করার পর পর ম্যাগাজিন পড়ুন, গান শুনুন, কলিগদের নিয়ে একসাথে লাঞ্চ করুন। কিছুই করতে পারি না --- এই বিষাদ কাটিয়ে উঠতে পারবেন। ম্যাগাজিন পড়া, গান শোনা বা বন্ধু-বান্ধব বা প্রিয়জনের সাথে চ্যাটিং এর মতো কাজ আপনার মুড লিফটিংয়ে সাহায্য করবে। 

 

নিজের কাজের জায়গাটাকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলুন। প্রায়োরিটি সেটিং এর লিষ্টের পাশে প্রিয়জনের দেওয়া গ্রিটিংস কার্ডস,  ফ্যামিলি পিকচার বা ফুল রাখুন।  চাপের সময় এই জিনিসগুলো দেখে মন ভালো হবে। আর সবচেয়ে দরকার কাজের প্রতি আপনার নতুন অ্যাপ্রোচ। অনেক দিন ধরে একই কাজ করছেন, মানছি।  কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব জিনিসই আপডেট হচ্ছে, আর বদলাচ্ছে। সেই বদলের সঙ্গে আপনি নিজেকে যুক্ত রাখুন। দেখবেন তাহলে নতুন নতুন জিনিস জানতে পারবেন, আর কাজের প্রতি আপনার আগ্রহ বজায় থাকবে। 

*একঘেয়েমি* *কাজেরচাপ* *ক্যারিয়ারটিপস* *গতানুগতিককাজ*

♦ মমিতা ♦: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আজ কিছুই ভাল লাগছে না কারো সাথে কথা বলতে ও ইচ্ছে করছে না (মনখারাপ)
*মমিতা* *মনখারাপ* *একঘেয়েমি*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গতে বাঁধা রুটিন থেকে বেরিয়ে আনন্দে কাজ করার টিপস l 

দীর্ঘদিন ধরে কাজ করতে করতে অনেকসময় একঘেয়েমি চলে আসে l স্বাভাবিকভাবেই নিজের থেকে উদ্দ্যোগ নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে ক্রমশ কমতে থাকে l অফিসে সারাক্ষণ যেমন তেমন করে সময় কাটানো আর কোনরকমে নিজের কাজ শেষ করাই তখন জরুরি হয়ে দাড়ায় l গড়পড়তা এই নিয়মের বাইরে গিয়ে একটু কিছু করতে হলেই একরাশ বিরক্তি আর বিরূপ মনোভাব l  কাজের প্রতি এই নেগেটিভ মনোভাব স্বভাবেও প্রভাব ফেলে l 

সহকর্মীর সঙ্গে রুক্ষ ব্যবহার ও কাজের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার মানসিকতা বাড়তে থাকে l এর সঙ্গে ক্রমগত বাড়ি ও অফিস ব্যালেন্স করার চাপ l এরকম সিচ্যুএশোনের মুখোমুখি হয়ে আপনি দিনের পর দিন এভাবে কাটিয়ে যেতে পারেন l তাতে কিন্তু আপনার নেগেটিভ চিন্তাভাবনাকেই প্রশ্রয় দেয়ায় হবে l 

একঘেয়েমি কাটিয়ে উঠার জন্য প্রথমেই গতে বাধা অভ্যাসের থেকে "আমি বেরিয়ে আসব" এই মানসিকতা তৈরী করুন l শুরু করুন আপনার ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে l খাওয়া-দাওয়া, এক্সারসাইজ --- এক কথায় নিজের প্রতি ও নিজের চারপাশের প্রতি একটু যত্ন নিন l এই উত্সাহটাই তখন আপনার কাজের মধ্যে ছড়িয়ে পরবে l একই কাজ নতুন করে করতে ভালো লাগবে l কাজের জায়গায় মাঝেমধ্যে একটু ব্রেক নিন l 

কিছুক্ষণ কাজ করার পর ম্যাগাজিন পড়ুন, গান শুনুন, কলিগদের সাথে একসাথে লাঞ্চ করুন, গল্প করুন ---- এক কথায় কিছু করতে পারি না এই বিষাদ দেখবেন তাহলে কাটিয়ে উঠতে পারবেন l ম্যাগাজিন পড়া, গান শোনা, সুডোকু সলভ, একটু ফেসবুকিং, চ্যাটিং করার মত টুকটাক কাজ আপনার মুড লিফটিং-এ সাহায্য করবে l 

নিজের কাঝের জায়গাটা সুন্দর করে সাজিয়ে তুলুন l প্রায়রিটি সেটিং-এর লিষ্টের পাশে প্রিয়জনের দেয়া গ্রিটিংস কার্ড, ফ্যামিলি পিকচার, বা ফুল রাখুন l চাপের সময়ও এই জিনিসগুলো মন ভালো রাখতে সাহায্য করবে, জিনিসগুলো দেখে মন ভালো লাগবে l আর সবচেয়ে দরকার কাজের প্রতি আপনার নিউ এপ্রোচ l অনেক ধরে একই কাজ করছি মানছি, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব জিনিসই আপডেট হচ্ছে, আর বদলাচ্ছে l সেই বদলের সঙ্গে আপনি নিজেকেও যুক্ত করুন l দেখবেন, তাহলে নতুন নতুন জিনিস জানতে পারবেন, আর কাজের প্রতি আপনার আগ্রহ বজায় থাকবে l 
*একঘেয়েমি* *কাজেরএকঘেয়েমি* *বোরিংনেস*
৪/৫

★ছায়াবতী★: [গুল্লু-ঘুমাই]সম্প্রতি গবেষকরা বলছেন, হাই তোলা শরীরে কেবল ক্লান্তি বা একঘেয়েমি প্রকাশ করে না বরং এটি মানুষের দেহে থার্মোস্ট্যাস্ট হিসেবে কাজ করে। কম্পিউটারের ফ্যান যেমন যন্ত্রাংশকে শীতল করে তেমনি হাই তোলার ফলে মানুষের মস্তিষ্কও শীতল হয়। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইন-এর।(ঘুম)(হাইতুলি)(ঘুম২)(হাইতুলি-১)

*জানা-অজানা* *একঘেয়েমি*

★ছায়াবতী★: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

শুভসকাল
সময় এত একঘেয়ে মাঝে মাঝে যে মনে হয় শীত নিদ্রায় চলে যাই অনন্ত কালের জন্য। মাঝে মাঝে আড্ডা খুব প্রিয় কিছু মানুষ জন ছাড়া একেবারেই জমে না। বন্ধু দের পাশে মুখ বন্ধ করে শুধু বসে থাকাতেও জীবন কে অনেক রঙিন আর উপভোগ্য মনে হয়...
*একঘেয়েমি* *বন্ধুত্বফ* *প্রিয়মানুষ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★