একুশে পদক

একুশেপদক নিয়ে কি ভাবছো?

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভাষা, শিক্ষা, গবেষণা, সাংবাদিকতা, অর্থনীতি ও সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় এবছর বাংলাদেশের জাতীয় এবং সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। গৌরবোজ্জল ও প্রশংসনীয় অবদানের জন্য এবার একুশে পদক পাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, সাহিত্যিক হায়াৎ মামুদ, সাংবাদিক তোয়াব খান ও কণ্ঠশিল্পী শাহীন সামাদসহ আরো ১৬ জন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বুধবার ২০১৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তাদের হাতে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, ডা. সাইদ হায়দার ও ড. জসীম উদ্দিন আহমেদ একুশে পদক পাচ্ছেন। ভাষা সংগ্রামী সৈয়দ গোলাম কিবরিয়াও এবার মরণোত্তর এ পুরস্কার পাচ্ছেন।
 
শিল্পকলায় এবার একুশে পদক পাচ্ছেন অভিনেত্রী জাহানারা আহমেদ, শাস্ত্রীয় সংগীতগুরু পণ্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী, সংগীত শিল্পী শাহীন সামাদ, নৃত্যশিল্পী আমানুল হক। এ ছাড়া চিত্রশিল্পী কাজী আনোয়ার হোসেন মরণোত্তর এ পুরস্কার পাচ্ছেন।
 
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মফিদুল হক। আর সাংবাদিকতায় এ পদক পাচ্ছেন দৈনিক জনকণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক তোয়াব খান।
 
গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ এবং মংছেনচীং মংছিন ২০১৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
 
আর ভাষা ও সাহিত্যে জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ ও হাবীবুল্লাহ সিরাজী এবার একুশে পদক পাচ্ছেন।
 
পদক বিজয়ী প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেট মানের ৩৫ গ্রাম স্বর্ণপদক এবং নগদ দুই লাখ করে টাকা দেওয়া হবে।

*একুশেপদক* *পুরস্কার*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিসরূপ দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ পদক তুলে দেন তিনি।

পদক প্রাপ্তরা হলেন মুক্তিযুদ্ধে অধ্যাপক মো. মজিবুর রহমান দেবদাস। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অধ্যাপক দ্বীজেন শর্মা ও মুহম্মদ নূরুল হুদা। শিল্পকলায় আব্দুর রহমান বয়াতি, এস.এ আবুল হায়াত ও এ.টি.এম শামসুজ্জামান। এদের মধ্যে মরণোত্তর পুরস্কার পেয়েছেন মরহুম আব্দুর রহমান বয়াতি।

শিক্ষাক্ষেত্রে ডা. এম.এ মান্নান ও সনৎ কুমার সাহা। গবেষণায় পুরস্কার পান আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া। সাংবাদিকতায় কামাল লোহানী এবং গণমাধ্যমে ফরিদুর রেজা সাগর। এছাড়াও ঝর্নাধারা চৌধুরী, সত্যপ্রিয় মহাথের ও অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী পুরস্কার গ্রহণ করেন।

*একুশেপদক* *পুরুস্কার* *সম্মাননা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দুই শিক্ষককে এবারের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। শিক্ষা ও মুক্তিযুেদ্ধ বিশেষ অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশের জাতীয় ও সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকের জন্য তাঁদেরকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট রবীন্দ্র গবেষক সনৎ কুমার সাহা এবং অপরজন গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. মুজিবর রহমান দেবদাস।

ইতোপূর্বে , অধ্যাপক সনাৎ কুমার সাহা বাংলা সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি পুরষ্কার পেয়েছিলেন। সম্মানজনক অর্জনের জন্য দুই শিক্ষককে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন সহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গরা। অধ্যাপক সনৎ কুমার ও অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের এ অর্জন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তথা সমগ্র বাংলাদেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রগতিশীল আদর্শেল আলোকে শিক্ষা ও সাহিত্যের যে দীর্ঘ যাত্রা , সেখানে আমাদের এ মহান দুই শিক্ষকের অবদান অতুলনীয়।

রাবির  গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. মুজিবর রহমান দেবদ্াস মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য একুশে পদকের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালীন সময়ে পাকিস্তান প্রশাসনকে লেখা চিঠিতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী জেনোসাইড’ করছে বলে উল্লেখ করায় হানাদার বাহিনীর দ্বারা অমানবিক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছিলেন এই মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যিনি ফলিত গণিতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে বগুড়া ও কুমিল্লায় দুটি কলেজে অধ্যাপনা করে চলে যান মেলবোর্নে, গণিতে উচ্চতর পড়াশুনা করতে। ফিরে এসে যোগ দেন করাচী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৬৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন।

আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানী স্মৃতি মিলায়তনে একুশে পদকে মনোনীতদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন। এই পুরষ্কারের সম্মাননা স্মরুপ প্রত্যেকে নগদ এক লাক টাকা ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণ পদক ও একটি সম্মাননা পত্র দেওয়া হবে।

বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক দেয়া হচ্ছে।

*একুশেপদক* *বিশিষ্টব্যক্তি* *পুরস্কার* *শিক্ষক* *একুশেপদক২০১৫*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আব্দুর রহমান বয়াতী (জন্ম: ১৯৩৯ - মৃত্যু: ১৯ আগস্ট, ২০১৩) ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রসিদ্ধ লোকসঙ্গীত শিল্পী। তিনি একাধারে অসংখ্য জনপ্রিয় লোকগানের শিল্পী, গীতিকার, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক ৷


১৯৩৯ সালে ব্রিটিশ ভারতের ঢাকার সূত্রাপুর থানার দয়াগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন আবদুর রহমান বয়াতী। এ পর্যন্ত তার প্রায় পাঁচশ একক গানের অ্যালবাম বের হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি মিশ্র অ্যালবামে গান গেয়েছেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে।

‘মন আমার দেহঘড়ি সন্ধান করি কোন মিস্তরি বানাইয়াছে’
‘আমি ভুলি ভুলি মনে করি প্রাণে ধৈর্য্য মানে না’

১৯ আগস্ট ২০১৩ সালে রাজধানীর ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোডের জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন l  সূত্র: ইন্টারনেট
*একুশেপদক* *বিশিষ্টব্যক্তি* *পুরস্কার*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দেশ ও মানুষের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফরিদুর রেজা সাগরকে ২০১৫ সালের একুশে পদক দিচ্ছে সরকার। রোববার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশ করা হয় গণমাধ্যমে একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি তার হাতে এ পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

তার নামের সাথেই মিশে আছে সাগরের উচ্ছ্বলতা। বৃহৎ পরিসরে কিছু একটা করার জন্যই বুঝি এই সাগরের বেড়ে ওঠা। আর তাইতো তার লেখনীর গাঁথুনীতে খুঁজে পাওয়া যায় দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য ভাবনার পরিপক্ক সাঁতার। তিনি ফরিদুর রেজা সাগর। তার চিন্তায়, মেধায় ও মননে রয়েছে দেশের প্রতি গভীর ভালবাসা। শিশুদের নিয়ে, দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনীতি নিয়ে তার লেখনীতে স্পষ্ট হয় দেশপ্রেম। ফরিদুর রেজা সাগরের জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৫। শিশু সাহিত্যিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার খ্যাতি দু’দশকেরও বেশী সময় ধরে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনার পাশাপাশি তার লেখা বেশ কয়েকটি নাটকও টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে। প্রায় সারা জীবনই তিনি টেলিভিশনের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড, চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বের পাশাপাশি নিজেকে লেখালেখিতে সম্পৃক্ত রেখেছেন।


প্রায় শতাধিক গ্রন্থের লেখক ফরিদুর রেজা সাগরের লেখা ‘ছোট কাকু সিরিজ’ ছোট বড় সকলের কাছে সমান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বড়দের জন্যও লিখেছেন নানা ধরণের বই। ভ্রমণ বিষয়ক গ্রন্থ ‘ভ্রমণ ভ্রমিয়া শেষে’ ছাড়াও বাংলাদেশের টেলিভিশন ব্যবস্থা নিয়ে তথ্যভিত্তিক স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ ‘একজীবনে টেলিভিশন’, ‘টেলিভিশন জীবনের সঙ্গী’, টেলিভিশন আরেক জীবনে ও টেলিভিশন ভাবনা বই ৪‘টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে। তার লেখা ‘এক জীবনে টেলিভিশন’ বইটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এছাড়া তার লেখা কিশোর সমগ্র গ্রন্থ বেরিয়েছে সাতটি।

ফরিদুর রেজা সাগরের পিতা মরহুম ফজলুল হক এদেশের চলচ্চিত্র নির্মাণ ও সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ছিলেন। মা রাবেয়া খাতুন দেশের প্রতিথযশা কথাসাহিত্যিক। ফরিদুর রেজা সাগর বাংলা একাডেমীর একজন ফেলো, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের স্থাপনা সদস্য ও ছায়ানটের কার্যকরী সদস্য। ছোট বেলা থেকে কেন্দ্রীয় কচিকাচার মেলা এবং বর্তমানে বিভিন্ন শিশু সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত, এসব সংগঠনের তিনি চ্যারিটি মেম্বার।

শিশু সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন বাংলা একাডেমী পুরস্কার, অগ্রনী ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার, রোমেনা আফাজ স্মৃতি স্বর্ণ পদক, টেনাশিনাস পদক ও ইউরো শিশু সাহিত্য পুরস্কার। চলচ্চিত্র প্রযোজনার জন্য পেয়েছেন দেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বিদেশে নানা সম্মাণনা ও পুরস্কার। শ্রেষ্ঠ টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রযোজনা, নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য বাচসাসসহ বিভিন্ন সংগঠন তাকে পুরস্কারে ভুষিত করেছে। তাঁর অর্জিত পুরষ্কারের ঝুলিতে সর্বশেষ যুক্ত হল দেশের সর্বচ্চো সম্মাননা পদক 'একুশে পদক-২০১৫' (সংগ্রহীত)

*একুশেপদক* *বিশিষ্টব্যক্তিত্ব* *সন্মাননা* *খ্যাতি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★