বিষন্নতা

বিষণ্নতা নিয়ে কি ভাবছো?

সাদিয়া নূর সব্র্না: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বিষন্নতা কাটানোর উপায় কি ??

উত্তর দাও (১৩ টি উত্তর আছে )

.
*বিষণ্নতা* *লাইফস্টাইলটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বিষণ্নতা থেকে মুক্তি লাভের কি কি উপায় আপনার জানা আছে?

উত্তর দাও (৮ টি উত্তর আছে )

*বিষণ্নতা* *টিপস* *লাইফস্টাইলটিপস*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিশ্বজুড়ে মানব স্বাস্থ্যের উপর কোন না কোন গবেষণা প্রতিনিয়ত অব্যাহত রয়েছে। তবে বছর ধরে নারী স্বাস্থ্যের উপরে প্রায় শতাধিক গবেষণা চালিয়ে চাঞ্চল্যকর সেরা ২৫টি গবেষণা তথ্য সরবারহ করেছে একদল চিকিৎসা বিজ্ঞানী। নিচে নারীস্বাস্থ্যে বিষযে এবছরের সেরা ২৫টি গবেষণা তথ্য তুলে ধরা হলঃ..

১. বিষণ্নতা আপনার বিপাক ক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটায়।
২. টিনএজ বয়সে সানবার্নের কারণে যেভাবে ভুগতে হয়, বয়স্কালে মেলানোমার কারণে একই ভোগান্তি গতে পারে।
৩. বিশের কোঠায় পরিশ্রমী থাকলে মস্তিষ্ক ভালো থাকে।
৪. চল্লিশের কোঠায় পা দিয়েছেন? তারপরও রোগ প্রতিরোধে কিছু করার রয়েছে আপনার।
৫. ঠাণ্ডা কক্ষে ঘুমালে বিপাক ক্রিয়া সুষ্ঠু হয়।
৬. মেডিটেরিয়ার খাবার আপনাকে টাইপ ২ ডায়াবেটিস থেকে দূরে রাখতে পারে।
৭. কিছু ডায়েটারি ফ্যাট আপনার ওজন কমাতে পারে।
৮. শক্ত ব্যায়াম হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায়। এটি কমে আসে বয়সের সঙ্গে।
৯. বাড়িতে মাত্র ৫ মিনিট দৌড়ান, আয়ু বাড়বে।
১০. পিরিয়ড চলাকালীন পিল খেলে তা কাজে লাগতে পারে।
১১. একটি পরিশ্রমের কাজের ধকল সামলাতে সারা দিন বসে থাকুন।
১২. বেশি বেশি কাজ করলে তা ক্ষয়রোগের কারণ হতে পারে।
১৩. কৃত্রিম চিনি বিপাক ক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটায়।
১৪. সিগারেটের মতো সোডাও নারীদের দ্রুত বুড়ো বানিয়ে দেয়।
১৫. কফি আপনার দেহকে শুষ্ক করে দেয় না।
১৬. পরিশ্রম করেও ওজন না কমা খুব সাধারণ বিষয়।
১৭. প্রতিদিনি একটি অ্যাপল চিকিৎসককে দূরে রাখতে পারে।
১৮. মনোপজের পর নারীদের কোলেস্টরেলের মাত্রা কম থাকতে পারে।
১৯. ম্যানিকিউর ল্যাম্প থেকে ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও তা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
২০. আলঝেইমার এবং গর্ভকালীন সমস্যা দেখা দিতে পারে ভিটামিন ডি এর অভাব।
২১. খাদ্যতালিকার ওপর নির্ভর করে আপনার ওজন কেমন হবে।
২২. স্ট্রেস নারীর উর্বরতা কমিয়ে দিতে পারে।
২৩. এনএসএইড পেইন রিলিভারস পিঠের ব্যথা দূর করতে কাজে লাগতে পারে।
২৪. সকালে ঘরে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে দিলে বডি ম্যাস ইনডেক্স কম থাকতে পারে।
২৫. স্তন নিয়ে নিজে পরীক্ষা করলে তা অনেকটা মেমোগ্রাম করা হয়ে যাবে।  
(সংকলিত)
*নারীস্বাস্থ্য* *মেনোপজ* *পিরিয়ড* *বিষণ্নতা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

অভ্র মেঘ: অন্তহীনতা শেষ হয়না, ফিরে আসতেই থাকে । পুরোনো সময়ের মত নাড়ায় ,কাঁপায়। কিছুই আসেনা নতুনভাবে। যা আসে তাইই, পুরোনো সেই গল্পের মত ,একই কাহিনী, একই সংকট, একই মোড়,একই পরাজয়। চলতেই থাকে।

*সন্ধ্যা* *অন্তহীনতা* *বিষণ্নতা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দাম্পত্য সম্পর্কে মান-অভিমান থাকবেই। শরতের মেঘ আর দাম্পত্যে কলহ যেন একই রকম। হাসি-তামাশা, মান-অভিমান নিয়েই এ সম্পর্ক। মাঝেমধ্যে অনেক পরিবারে ছোটখাটো ঝগড়াঝাটি থেকেই ঘটে বিপর্যয়। তিক্ততায় ভরে যায় মধুর সম্পর্কটি। সন্তান, পরিবারের অন্য সদস্যরা হন মানসিক চাপের শিকার। এসব থেকে বেরিয়ে এসে স্বামী-স্ত্রী দুজন যদি একটু সচেতন হন, তবে বিনা কষ্টে দাম্পত্যজীবন হয় মধুময়। একটু মানিয়ে চলা, দুজন দুজনকে বুঝা—এটুকুই দিতে পারে প্রেমময় দাম্পত্যজীবন।

দাম্পত্য সম্পর্কের ধরনটাই এমন—কখনও বৃষ্টি, কখনও রোদ। তবে আজকের দম্পতিরা সত্যি দিশেহারা। ঘরে-বাইরে জীবন ক্রমশ জটিল থেকে জটিলতর হয়ে উঠছে। ঘরের কাজকর্ম থেকে শুরু করে বাচ্চাদের লেখাপড়া পর্যন্ত—সবকিছুই কঠিন ও অনিশ্চিত। স্বামী-স্ত্রী দুজনই নিজেদের কর্মস্থলে সমস্যার পর সমস্যা মোকাবিলা করে ক্লান্ত। ঘরে ফিরেও দু'দণ্ড শান্তির অবকাশ নেই। ব্যক্তিত্ব আর আত্মমর্যাদার সঙ্কট প্রবল। তবে দুজনই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও আন্তরিকতা নিয়ে মানিয়ে চললে সম্পর্কটা সহজ হয়। জীবনসঙ্গী যদি সংসারের প্রতি ইতিবাচক থাকেন, তবে ত্যাগ-তিতিক্ষা, খিটিমিটি জড়িয়ে সুন্দর দাম্পত্যজীবন পাওয়া যাবে। সবকিছুর মধ্যে ভুল ধরতে যাওয়া, সব ব্যাপার নিয়ে কলহের ভাবনা থেকে দূরে থাকলে সম্পর্কটা জটিল হয় না। সন্তানরাও বেড়ে ওঠে সুন্দর পরিবেশে।

দাম্পত্যজীবনে কলহ অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। ভালোবাসা-সমঝোতা-মমতার মতোই মতবিরোধ, মতপার্থক্য দাম্পত্যজীবনের একটা অঙ্গ। কিন্তু দাম্পত্য সম্পর্ক তখনই অস্বাভাবিক রূপ ধারণ করে, যখন এর ফল হয় ভুল বোঝাবুঝি, তিক্ততা, পরস্পরকে হেয়প্রতিপন্ন করার প্রবণতা, অবিশ্বাস ইত্যাদি। বিবাহিত জীবন কেবল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, এতে জড়িত পরিবারের অন্যান্য সদস্য, সমাজ-সংস্কৃতি। দুজন স্বতন্ত্র মানসিকতার, ভিন্ন পরিবেশে বেড়ে ওঠা আলাদা মানুষ দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় সাধন করে একটা সমঝোতায় পৌঁছে জীবনযাপন করতে চেষ্টা করেন। এখানে মানিয়ে চলাটা তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্পর্কে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে তর্কে জিততে যাওয়ার প্রবণতা বা নিজের মতকে একগুঁয়েভাবে প্রাধান্য দেওয়াটা দাম্পত্য সম্পর্কে কোনো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। দাম্পত্য সম্পর্ক যেসব কারণে তিক্ত হতে পারে তার মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত ব্যস্ততা ও একে অপরকে পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারা, সাংসারিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা, মানসিকতার পার্থক্য, তৃতীয় ব্যক্তিকে জড়িয়ে সন্দেহ, মনমেজাজ তিক্ত থাকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ইত্যাদি। দুজনের একটুখানি মানিয়ে চলাই সম্পর্কটা সুন্দর করে, সুখী করে।

মানিয়ে চলা শুধু দাম্পত্য সম্পর্ক নয়, সব সম্পর্কই সহজ সুন্দর করে। স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রে বলা যায়, মেনে নেওয়াটা যেন একতরফা না হয়। কারণ, আমরা দেখি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মেয়েরাই বেশি ত্যাগ করে। এ ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। কেননা, আজকের শিক্ষিত ও কর্মজীবী মেয়েদের জন্য দাম্পত্যজীবন একটা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। এখানে তাকে একই সঙ্গে সুদক্ষ অফিসকর্মী, স্ত্রী-বন্ধু, সুচারু গৃহিণী, মা ইত্যাদি বিভিন্ন ভূমিকা পালন করতে হয়। একই সঙ্গে সংসারের সব ঝক্কিঝামেলাও অনেক সময় এক হাতেই সামলাতে হয়। তাই ত্যাগের ক্ষেত্রে, মানিয়ে চলার ক্ষেত্রটা যেন একজনের ঘাড়ে না চেপে যায়, সেদিকটায় সচেতন হতে হবে। ছোটখাটো কিংবা বড় সমস্যায় সমঝোতার মধ্য দিয়ে যদি দুজন সুন্দর মানিয়ে চলেন, তবে সম্পর্কটা অনেক সহজ হবে। মধুর হবে দাম্পত্যজীবন।
*দাম্পত্যেটানাপোড়েন* *সম্পর্ক* *বিষণ্নতা*

শুভাশীষ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সত্যি বলতে কি, আজকাল ভীষণ অশান্ত হয়ে গেছে আমাদের জীবনগুলো। এবং যতদিন যাচ্ছে এই অশান্ত অবস্থা কেবলই বাড়ছে। আর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আমাদের মানসিক অশান্তি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক কিংবা পেশাগত জীবনের ইঁদুর দৌড়- সবকিছুর সাথে এমন ভাবে জড়িয়ে গেছে জীবন যে মানসিকভাবে সুস্থ থাকাটা রীতিমতন একটা “চ্যালেঞ্জের” বিষয়। আসুন, আজ আলোচনা করি মানসিক ভাবে সুস্থ থাকার ৬টি উপায় নিয়ে।

কথা বলুন নিজের অনুভবের ব্যাপারে
- আপনি মানুষ, আর মানুষ মাত্রই নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করবে। পরিবেশ পরিস্থিতির নানান চাপে অনেক সময়েই আমরা নিজের মনের কথাটা চাপা দিয়ে দেই। এই চাপা আবেগ গুলো জমতে জমতেই একসময় বিশাল একটা মানসিক সমস্যা হয়ে যায়। সুতরাং, এই ব্যাপারটা থেকে বেরিয়ে আসুন। জীবনে ২/১জন মানুষ এমন খুঁজে নিন যাদের কাছে মনের সব কথা বলে দেয়া যায়। নিদেন পক্ষে ডায়রি লেখার চর্চা করতে পারেন। তাতেও শান্তি মিলবে।
ঠিকমত খাবেন ও ঘুমাবেন
- কেবল শারীরিকভাবে নয়, মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্যও ঠিকমত খাওয়া এবং ঘুমের বিকল্প নেই। কেননা এই দুটো বস্তুর অভাবে নিশ্চিত রূপেই মেজাজ খিটখিটে হয়ে পড়ে, বিষণ্ণতা ভর করে। লক্ষ্য করে দেখবেন, তীব্র মন খারাপের সময় ভালো কিছু খাওয়া কিংবা আরাম করে একটু ঘুম অনেক কাজ দেয়। দীর্ঘদিন যাবত ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে থাকলে গুরুতর শারীরিক অসুখ ছাড়াও নানান প্রকার মনের অসুখ দেখা দেয়।
বন্ধু নির্বাচন করুন বুঝে
- জীবনে যন্ত্রণার অভাব নেই। সুতরাং বন্ধু বান্ধবের কারণে বাড়তি যন্ত্রণা পোষার কোনও মানে নেই। মানুষ বন্ধুত্ব করে ভালো থাকার জন্য। আর সেই উদ্দেশ্য পূরণ করতে গেলে অবশ্যই প্রয়োজন ভালো বন্ধু। একজন খারাপ বন্ধু দশ জন শত্রুর চাইতে খারাপ। বাস্তব জীবন, ফেসবুক ইত্যাদি যে কোনও জায়গাতেই বন্ধু বানান বুঝে শুনে।
যেমন আছেন, নিজেকে সেভাবেই ভালবাসুন
- মানসিক ভাবে সুস্থ থাকার জন্য এই ব্যাপারটা কিন্তু অত্যন্ত জরুরী। আমাদের বেশিরভাগ হতাশা, বেদনার জন্ম হয় নিজের ব্যাপারে অতৃপ্তি থেকে। আমি পেলাম না, আমার নেই, হয়তো আমি যোগ্য নই ইত্যাদি ভাবনা তৈরি করে গভীর বেদনা ও হীনমন্যতার। একটা ব্যাপার কখনও ভুলে যাবেন না যে, পৃথিবীতে কেউ কারো মতন নয়। সবাই-ই তাঁর নিজ নিজ দিক হতে বিশেষ। তাই নিজেকে কারো তুলনায় ছোট মনে করে মনে মনে কষ্ট পাবেন না বা নিজেকে গুটিয়ে রাখবেন না না। একটাই জীবন, বাঁচুন মন খুলে।
প্রার্থনা করুণ নিয়মিত-
মানুষের মনের উপরে ওষুধের মতন কাজ করে এই প্রার্থনা। আপনি যে ধর্মের অনুসারীই হয়ে থাকুন না কেন, প্রতিদিন নিজ ধর্ম অনুযায়ী খানিকটা সময় প্রার্থনা করুন। কেবল করতে হবে বলে নয়, মনের গভীর থেকে করুন। নিজের একান্ত গোপন ব্যথা, বেদনা, ক্ষোভের কথা বলুন সৃষ্টিকর্তাকে। দেখবেন মনটা নিমিষে হাল্কা হয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, দেখবেন অনেক ক্ষোভ মুছে গিয়ে অন্যকে ক্ষমা করতে পারছেন। নিজেকে একজন মজবুত মানুষ মনে হচ্ছে।
করুন অবসর যাপন-
কাজ আমরা করবোই, বেঁচে থাকতে গেলে কাজ করতেই হবে। কিন্তু কাজ করাটাই কেবল জীবন নয়। বরং জীবনটা যে আসলে কি, সেটা অনুধাবন করতেই কাজ হতে অবসর নেবার প্রয়োজন। নিজের সুবিধা মতন সময়ে অবসর পালন করুন। পরিবার, বন্ধুরা কিংবা একান্তই নিজের সাথে। নিজের মানসিক সুস্থতার জন্য এই নিরিবিলি আরামটুকুন ভীষণ প্রয়োজন।
সব শেষে বলতে চাই- সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। ছোট্ট একটা জীবন, অহেতুক কাজে নষ্ট করবেন না। আপনার মানসিক- শারীরিক সুস্থতা শোবায় আগে। কেননা সেগুলো বজায় থাকলেই তবেই না জীবনটা সুন্দর আর উপভোগযোগ্য।
সূত্র: ইউএনএসবিডিডটকম

*সুস্থ্যথাকা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *বিষণ্নতা* *হেলথটিপস*

উদয়: একটি টিপস পোস্ট করেছে

বিষণ্ন প্রিয় মানুষটির সাথে যে ধরনের আচরণ করা উচিৎ
http://www.priyo.com/2014/07/03/82653.html
মানুষ বিভিন্ন কারণে হতাশ বা বিষণ্ন হয়ে উঠতে পারে। হতে পারে কোনো চিন্তা চারপাশ থেকে তাকে ঘিরে ধরে। আস্তে আস্তে গ্রাস করে চলে নিমিষেই। তখন তার কাছে জীবনের আনন্দটুকুও ভালোলাগে না। সে তলিয়ে যেতে থাকে অতল গভীরে। ভেবে দেখুন এমন অপ্রিয় ঘটনাগুলো যদি আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে ঘটে। সে যদি ক্রমেই এই বিষণ্নতায় আক্রান্ত হয়ে নিজেকে পরিচালিত করে ধ্বংসের দিকে। তাহলে আপনি কি করবেন? এই ধরনের জটিল মুহূর্তে তার প্রয়োজন ভালো ব্যবহার সচেতন শিক্ষা এবং অনেক বেশি ভালোবাসার। জেনে নিন বিষণ্ন রোগে আক্রান্ত প্রিয় মানুষটির সাথে আপনি অবশ্যই যে ধরনের আচরণ করবেন। ...বিস্তারিত
*লাইফস্টাইলটিপস* *বিষণ্নতা* *সম্পর্ক*
১৪১ বার দেখা হয়েছে

Health Prior 21: চুল পড়া রোধে ক্যাস্টর অয়েল আমাদের অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, অপর্যাপ্ত ঘুম, অতিরিক্ত কাজের চাপ, অসুস্থতা, বংশগত সমস্যা, পরিবেশের প্রভাবসহ নানা কারণে পড়ে যেতে পারে চুল। আর এসব সমস্যা থেকে মুক্তি...http://hpsheba.com/14811034420

*চুলপড়া* *অনিদ্রাসমস্যা* *বিষণ্নতা*

জোবায়ের রহমান: একটি টিপস পোস্ট করেছে

Psychotherapy online: বিষণ্নতা
http://www.psychobd.com/2013/07/blog-post_14.html#more
বিষণ্ণতা দূর করুন। ...বিস্তারিত
*বিষণ্নতা*
১৩৪ বার দেখা হয়েছে

মো : শামীম রেজা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 নিসঃঙ্গ মানুষের কেন বন্ধু থাকে না?

উত্তর দাও (৫ টি উত্তর আছে )

*বিষণ্নতা* *মানসিকঅবসাদ*

শওকত হাসান জেমস: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 নিজেকে ভালবাসার মানুষের মত করে গর্তে চান নাকি ভালবাসার মানুষকে নিজের মত গড়ে নিতে চান আপনি এবং কোনটি বেশি ভালো?

উত্তর দাও (৯ টি উত্তর আছে )

*সম্পর্ক* *প্রেম* *ভালোবাসা* *ব্রেকআপ* *দাম্পত্যেটানাপোড়েন* *বিষণ্নতা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★